এনামুল হক নাবিদ, আনোয়ারা থেকে :

আনোয়ারা উপজেলার ৬নং বারখাইন ইউনিয়নের শোলকাটা ও তৈলারদ্বীপ পুরাতন আরকান সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের অযোগ্য হয়ে আছে।কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় সড়কটি দিনকে দিন চলার অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। চলাচলে বাড়ছে দুর্ভোগ। সড়কের মাঝে মাঝে সৃষ্টি হয়েছে ছোট বড় খানাখন্দক। অনেক জায়গায় সড়কের কিছু কিছু অংশ খালের ভিতর তলিয়ে গেছে। এমতাবস্থায় চরম ঝুঁকি নিয়ে জনসাধারণ চলাচল করলেও কর্তৃপক্ষের কোন ঘুম ভাঙছেনা এমনটায় অভিযোগ করেছে স্থানীয়রা।

সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের বেহাল দশার কারণে যানবাহন চলাচলে দেখা দিয়েছে চরম অনিশ্চিয়তা। বিশেষ করে বিপাকে পড়ছে স্কুলগামী শিক্ষার্থী ও অসুস্থ রোগীরা। কারণ এই সড়ক দিয়ে ৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দুইটি মাধ্যমিক স্কুল এবং একটি ফাজিল মাদ্রাসার ১০ হাজার শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের এতমাত্র সকড় পথ। তবে দিনের বেলায় কষ্ট করে যানবাহন চলাচল করলেও রাতে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।বারখাই,ঝিউরি,শিলাইগড়াসহ বেশ ক’টি গ্রামের বিকল্প কোন সড়ক না থাকায় উপজেলার হাসপাতালের সাথে সংযুক্ত হওয়ায় রোগীদের বাড়ছে চরম বিড়ম্বনা।

রতন কান্তি নামের এক সরকারি কর্মকর্তা বলেন,বিকল্প কোন সড়ক না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে চলতে হয়। অনেক সময় দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছি। তার পরেও যাতায়াত করতে হয়। একসময় ফেরী চলাচল অবস্থায় সড়কটির বেশ চাহিদা থাকলেও কালাবিবির দিঘি থেকে আনোয়ারা বাঁশখালী নতুন সড়ক হওয়ায় পুরাতন এই আরকান সড়কটি এখন কতৃপক্ষের কাছে কদর নাই বললে চলে। যার ফলে গত কয়েক বছর ধরে পড়ে থাকা বেহাল দশা রাস্তার ভাঙা অংশ মেরামত না করায় বড় বড় গর্তগুলো মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। আর আমরাও দুর্ভোগ থেকে রেহায় পাচ্ছিনা।

গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির স্বংস্কার কবে নাগাদ হবে জানতে চাইলে উপজেলা চেয়ারম্যান তৌহিদুল হক চৌধুরী বলেন, সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলায় অযত্নে রয়েছে যা খুবই দুঃখ জনক। বর্তমানে সড়কটি টেন্ডার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। আমি চেষ্টা করছি সড়কটি যাতে অতি অল্প সময়ে সংস্কার করতে পারি।

শুভ চট্টগ্রাম/শিউলি/নাবিদ