স্টাফ রিপোর্টার, ফটিকছড়ি :

হাটহাজারী মাদ্রাসার পর দ্বিতীয় প্রাচীনতম দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত ফটিকছড়ির ‘নাজিরহাট বড় মাদ্রাসা’র মুহতামিমের পদ নিয়ে মাওলানা ছলিম উল্লাহ এবং মুফতি হাবিবুর রহমান কাসেমী সমর্থিত ছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। আহতদের পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সায়েদুল আরেফিন, পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

গত শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা সলিমুল্লার ডাকা সংবাদ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, মাদ্রাসার মোহতামিম মাওলানা ইদ্রিসের মৃত্যুর পর জানাযার পূর্বে ঘোষণা দিয়ে মাওলানা হাবিবুল্লাহ কাসেমীকে ভারপ্রাপ্ত মোহতামিমের দায়িত্ব দেয়া হয়। মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা সলিমুল্লাহ নিজেকে মোহতামিম দাবি করে বিভিন্ন কর্মকান্ড চালিয়ে যায় পরবর্তীতে ভারপ্রাপ্ত মোহতামিমকে কর্মকান্ড চালাতে বাঁধা প্রদান করে।

পরবর্তীতে আদালতে মামলা দায়ের করেন মাওলানা কাসেমী। ইতিমধ্যে মাদ্রাসার সংকট নিরসনে স্থানীয় সাংসদ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী শুরা সদস্যদের সাথে পরামর্শ করে আগামী ২৮ অক্টোবর মাদ্রাসার শুরার বৈঠক আহবান করে। শনিবার হঠাৎ করে সংবাদ সম্মেলন করেন মাওলানা সলিমুল্লাহ। তখন মাদ্রাসার ছাত্ররা বিক্ষোভ শুরু করলে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়। ঘটনাস্থলে ব্যাপক পুলিশ ও ডিবি পুলিশ উপস্থিতি রয়েছে।

ফটিকছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ বাবুল আক্তার বলেন, আমরা মাদরাসার মূল ফটকে অবস্থান করছি। ছাত্র-শিক্ষকদের মাদ্রাসা ভিতরে অবস্থান করার নির্দেশ দিয়েছি। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

শুভ চট্টগ্রাম/শিউলি/মনসুর