মোঃ আবু মনসুর, ফটিকছড়ি: 

ফটিকছড়ি উপজেলার নানুপুর ও সুয়াবিল ইউপির নির্বাচন আগামী ২০অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীরা শেষ মুহুর্তে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারনা শেষ কুশল বিনিময় করে ব্যস্ত সময় পার করছে।নির্বাচনে প্রার্থীরা তাদের পছন্দের প্রতীক নিয়ে নিজেদের ভোটের পাল্লা ভারী করতে বিভিন্ন এলাকায় রাত দিন প্রচার-প্রচারনায় মাঠ চষে বেড়িয়েছেন।

দেশের বড় দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ-বিএনপির মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীদের যেন দম ফেলার ফুরসত ছিলনা অসাধারণ হয়েছিলেন তাদের কর্মী-সমর্থকরা। সমানতালে ছিল স্বতন্ত্র প্রার্থী ও তার কর্মী-সমর্থকরাও। প্রার্থীরা নিজের ভোটের পাল্লা ভারি করতে প্রত্যেকেই ইউনিয়নবাসীর দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন।

শুধু প্রার্থীরা নন, প্রচারণায় নেমেছেন দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন, বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। রোববার (৪ অক্টোবর) সুয়াবিল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৪ জন,সাধারণ সদস্য পদে ৩৪ জন,সংরক্ষিত সদস্য (মহিলা) পদে ৯ জন ও নানুপুর ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে উপ নির্বাচনে ৭জন প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেয় রিটার্নিং কর্মকর্তা।

এছাড়াও জাফতনগর ইউপির ৮নং ওয়ার্ডের উপ নির্বাচনে সাধারণ সদস্য পদে দুইজন প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির।

সুয়াবিলে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী জয়নাল আবেদিনকে নৌকা প্রতীক, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ ইয়াকুবকে ধানের শীষ প্রতীক, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ হায়াতকে আনারস প্রতীক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল আলমকে চশমা প্রতীক দেওয়া হয়। অন্যদিকে নানুপুর ইউপিতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী শফিউল আজমকে নৌকা প্রতীক, বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী জয়নাল আবেদিনকে ধানের শীষ প্রতীক, স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মুহাম্মদ আমান উল্লাহকে ঘোড়া প্রতীক,মুহাম্মদ নুরুল হুদাকে আনারস প্রতিক, মোহাম্মদ নাছির উদ্দিনকে টেবিল ফ্যান প্রতিক,মুহাম্মদ ছাবের উদ্দিনকে মোটরসাইকেল প্রতিক ও সৈয়দ মঈনুদ্দিনকে রজনীগন্ধা প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির বলেন, ইতিমধ্যে নির্বাচনের সব প্রস্তুতি আমরা সম্পন্ন করেছি ইউপি নির্বাচন আইন মোতাবেক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ২০ অক্টোবর ভোট, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে অংশ গ্রহনে সকলের সহযোগীতা চাই। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে যাতে কেউ বিশৃঙ্খলা করতে না পারে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ ১৩ বছর পর সুয়াবিল ইউ.পিতে সাধারণ নির্বাচন এবং নানুপুর ইউপি চেয়ারম্যানের শূন্যপদে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ২০ অক্টোবর। একইদিন, খিরাম ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড এবং জাফতনগর ইউনিয়নে ৮ নং ওয়ার্ড সদস্যের শূন্যপদে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

শুভ চট্টগ্রাম/শিউলি/মনসুর