প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রশ্ন উঠলে মুখপাত্র বলেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধির সঙ্গে সংগতি রেখে কিলো ক্লাসের ওই সাবমেরিন ‘আইএনএস সিন্ধুবীর’ মিয়ানমারের নৌবাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, প্রতিবেশীদের ক্ষমতায়ন ও স্বনির্ভরতায় সহায়তার ক্ষেত্রে ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সেদিক থেকে সাবমেরিন দেওয়ার সিদ্ধান্তটি সংগতিপূর্ণ। রাশিয়ার তৈরি এই সাবমেরিন ভারতীয় নৌবাহিনীতে নেওয়া হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। অন্ধ্র প্রদেশের বিশাখাপত্তনমে হিন্দুস্তান শিপইয়ার্ডে সেটির পূর্ণ সংস্কার ও আধুনিকীকরণ করা হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথাও জানান, রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনে আর্থিক সহায়তা বৃদ্ধিতে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাতিসংঘ যে ভার্চ্যুয়াল সম্মেলনের আয়োজন করেছে, ভারত তাতে আমন্ত্রিত। ২২ অক্টোবর সেই সম্মেলন হবে। জাতিসংঘ এর আগে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য ১ বিলিয়ন ডলার অর্থ সাহায্যের আবেদন জানিয়েছিল। কিন্তু কোভিডসহ অন্যান্য কারণে অর্ধেক অর্থও সংগৃহীত হয়নি। ওই সম্মেলনের লক্ষ্য যত বেশি সম্ভব অর্থ সংগ্রহ করে রোহিঙ্গাদের জন্য খরচ করা।

মুখপাত্র এই প্রসঙ্গে বলেন, ভারত রাখাইন প্রদেশের গৃহচ্যুতদের দ্রুত, নিরাপদ ও স্থায়ী প্রত্যাবর্তন চায়। দুই দেশকে এই জন্য ভারত সহায়তাও দিচ্ছে।

শুভ চট্টগ্রাম/শিউলি