ক্রীড়া প্রতিবেদক :

তিন দলের ওয়ানডে টুর্নামেন্ট ‘প্রেসিডেন্ট’স কাপে’র দ্বিতীয় ম্যাচে আজ মঙ্গলবার মাহমুদউল্লাহ একাদশের বিপক্ষে ১০৩ রানেই গুটিয়ে গেছে তামিম একাদশ। সিনিয়র তামিমের সঙ্গে জুনিয়র তামিমের ওপেন করার বিষয়টি বেশ রোমাঞ্চ ছড়ালো ক্রিকেটাঙ্গনে। কিন্তু মাঠের ক্রিকেটে এই রোমাঞ্চ টিকেছে মাত্র ৯ বল।

ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় বলে তামিম ইকবালকে এলবির ফাঁদে ফেলেন রুবেল হোসেন। তারপর অনেককিছু হলো। বৃষ্টি নামল, অনেকক্ষণ খেলা বন্ধ থাকল, ৫০ ওভার থেকে ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমে ৪৭ ওভার হলো। কিন্তু মাহমুদউল্লাহ একাদশের বোলারদের আগ্রসন থামেনি।

বৃষ্টির পর অবশ্য তরুণ তানজিদ হাসান তামিমকে নিয়ে বেশ ভালোই এগুচ্ছিলেন এনামুল হক বিজয়। তবে রুবেল হোসেন জুটিটা বড় করতে দেননি। দারুণ খেলতে থাকা তানজিদ হাসানের সঙ্গে তিন বলের ব্যবধানে তুলে নেন মোহাম্মদ মিঠুনকেও। তানজিদ ফেরার আগে ১৮ বলে ৩ চারে ২৭ রান করেছেন। মিঠুন ফিরেছেন কোনো রান না করেই। রুবেলের শুরুর থাক্কার পর বলার মতো কোনো জুটিই গড়তে পারেনি তামিম একাদশ।

যাওয়া-আসার মিছিলে নেমেছিলেন দলের বাকি ব্যাটসম্যানরা। মাঝখানে এনামুল হক বিজয় ও পেস অলরাউন্ডার সাইফউদ্দিন আশা দেখাচ্ছিলেন। কিন্তু সেট হয়েও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি বিজয়। শেষ দিকে দ্রুত রান তুলতে গিয়ে বিদায় সাইফ। ৩৩ বলে ২ চার ১ ছয়ে ২৫ রান করেছেন বিজয়। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরার আগে সাইফের সংগ্রহ ৩১ বলে ১২। এছাড়া দুই অঙ্কের কোটা পেরুতে পেরেছেন কেবল মেহেদি হাসান (২৩ বলে ১৯)। শেষ পর্যন্ত ২৩.১ ওভারে ১০৩ রানে গুটিয়ে যায় তামিম একাদশ।

মাহমুদউল্লাহ একাদশের হয়ে রুবেল হোসেন ৫ ওভার বোলিং করে মাত্র ১৬ রান খরচায় নিয়েছেন তিন উইকেট। তরুণ পেসার সুমন খান ৩ উইকেট নিয়েছেন ৫ ওভারে ৩১ রান খরচায়। ২টি করে উইকেট নিয়েছেন মেহেদি হাসান মিরাজ ও আমিনুল ইসলাম বিপ্লব।

একদিন আগে প্রথমে ব্যাটিং করে ভুগতে হয়েছিল মাহমুদউল্লাহ একাদশকেও। সেই একই উইকেটে যখন খেলা তখন টস জিতে বোলিং করার সুযোগ হাতছাড়া করেননি মাহমুদউল্লাহ একাদশের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এই সিদ্ধান্ত যে কতটা যৌক্তিক ছিল পরতে পরতে তা প্রমাণ করলেন মাহমুদউল্লাহর বোলাররা। যার নেতৃত্ব দিয়েছেন অভিজ্ঞ রুবেল হোসেন।

শুভ চট্টগ্রাম/ শিউলি