নিজস্ব প্রতিবেদক :

করোনার কারণে স্থগিত হয়ে যাওয়া চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী নভেম্বরেই। করোনার কারণে আর কোনো নির্বাচন পেছানো হবে না বলে জানিয়ে ১১ অক্টোবর দুপুরে ইসি সচিবালয়ে নির্বাচন কমিশন সচিব মোহাম্মদ আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, ‘এখন থেকে প্রতিটি নির্বাচন যথাসময়েই অনুষ্ঠিত হবে। শিডিউল অনুযায়ী এখন নির্বাচন হবে। নির্বাচন পেছানোর কোনো সিদ্ধান্ত এখন থেকে নেই।’

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে খোরশেদ আলম সুজনের মেয়াদ শেষ হবে। চলতি বছরের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এই প্রশাসকের মেয়াদ ৯০ দিন পূর্ণ হবে। এরপর তার হাতে থাকবে আরও ৯০ দিন। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৯০ দিন পূর্ণ হওয়ার আগেই চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনের আয়োজন শুরু হয়ে যাবে।

গত ৬ আগস্ট মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন করতে না পারায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয় চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজনকে।

স্থগিত হওয়া চট্টগ্রাম সিটির নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন সাতজন। এছাড়া সাধারণ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলরের ৫৫ পদে ২৬৯ প্রার্থী রয়েছেন ভোটে। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বর্তমান প্রার্থীরাই বহাল থাকবেন। যে অবস্থায় ভোট স্থগিত হয়েছিল সে অবস্থা থেকেই নির্বাচন হবে। তবে মৃত্যুজনিত যেসব পদ এর মধ্যে শূন্য হবে সে বিষয়ে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।

চট্টগ্রাম সিটির মেয়র প্রার্থীরা হলেন আওয়ামী লীগের এম রেজাউল করিম চৌধুরী (নৌকা), বিএনপির শাহাদাত হোসেন (ধানের শীষ), বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এমএ মতিন (মিনার), স্বতন্ত্র প্রার্থী তৃণমূল এনডিএমের চেয়ারম্যান জননেতা খোকন চৌধুরী (হাতি), এনপিপির আবুল মনজুর (আম), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ (চেয়ার) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. জান্নাতুল ইসলাম (হাতপাখা)।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল গত ২৯ মার্চ। কিন্তু করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হওয়ায় নির্বাচন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন করা সম্ভব নয় জানিয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগে চিঠি দেয় কমিশন।

শুভ চট্টগ্রাম/শিউলি