নিজস্ব প্রতিবেদক :  প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা বলেছেন, বিভিন্ন সময় কেন্দ্র থেকে পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। কিন্তু সেগুলো পর্যালোচনা করে দেখা যায়, অধিকাংশ ক্ষেত্রে পোলিং এজেন্ট কেন্দ্রেই আসেনি।

ফলে নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিকে পোলিং এজেন্ট মনোনীত করতে হবে প্রতিদন্দ্বী প্রার্থীর। কেন্দ্রে কোনো অনিয়ম হলে ভয়-ভীতি উপক্ষো করে তাকে প্রতিবাদ-প্রতিরোধ করার ক্ষমতা থাকতে হবে। শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুর ১২ টার দিকে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে আয়োজিত রিটার্নিং অফিসার, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন সিইসি।

সিইসি বলেন, নির্বাচনে বড় অভিযোগ-ভোটকেন্দ্র থেকে পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়া। তবে পোলিং এজেন্ট নিজ দায়িত্বে কেন্দ্রে আসতে হবে। যখনি তিনি ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করবেন তখন তাদের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষা দেওয়ার দায়িত্ব আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর।

তিনি বলেন অভিযোগ আসে পোলিং এজেন্টকে কেন্দ্রে আসতে দেয়নি, কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায় ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করেন না এজেন্টরা। এছাড়া গত দুই বছরে ভোটকেন্দ্র থেকে পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়ার কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

প্রার্থীদের কাছে অনুরোধ আপনারা যোগ্য এজেন্ট দেবেন। এক্ষেত্রে কারো অধিকার ব্যহত করা হলে আইনশৃঙ্খলাবাহীনি ব্যবস্থা নেবে। তবে বলতে হবে কে, কখন, কোথায় বাধা দিয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার বলেন, নির্বাচন অবাধ নিরপেক্ষ করার জন্য সবার সহযোগীতা চাই। এখানে দায়িত্বপ্রাপ্তদের কোনো স্বার্থ নেই।

কে এম নুরুল হুদা বলেন, ইভিএম নিয়ে যেসব ধরনের কথা প্রচলিত আছে, ঢাকায় দুই সিটি নির্বাচনের পর সেসব কথা কমে গিয়েছে। আপনারা দেখেছেন আগে নির্বাচনের আগে ইভিএম নিয়ে নানান টক-শো, আলোচনা হতো- এখন তা নেই। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সফলভাবে প্রয়োগ করা গেলে এবং বিষয়টি সাংবাদিকরা ভালোভাবে অনুধাবন করতে পারলে এই সমালোচনা আর থাকবেনা।

বিভাগীয় কমিশনার এবিএম আজাদের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত আছেন ডিআইজি ওমর ফারুক, সিএমপি কমিশনার মাহাবুবর রহমান, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, চসিক নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান, সহকারী রিটার্নিং অফিসার মনির হোসেন খান প্রমুখ।