দিদার আলম : দুুপুরের পর আকাশে দিকে তাকালে দেখা যায় বাহারি রঙের নানা ঘুড়ি বিভিন্ন-ঢঙে উড়ছে। কোনওটা দেখতে পাখির মতো, কোনটা আবার বক্রাকৃতি, কোনওটা ত্রিভুজাকৃতি।

আকার ও রঙ যাই হোক ঘুড়িগুলো বৈশাখের বাতাসের দোলায় মেতে উঠে নানা বয়সী মানুষের হাতে নাটাই-সুতার নাড়ায়। কোনও কোনও ঘুড়ি দূর আকাশে মেঘ ছুতে চায়, কোনওটা আবার নীলাকাশ ছুঁতে চায়।

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) এর লকডাউনে অন্যরকম বিনোদনে পরিণতি হয়ে পড়েছে ঘুড়ি ওড়ানো। বিশেষ করে দুপুরের পর থেকে চট্টগ্রাম মহানগরীর আকাশে দেখা মেলে রঙ-বেরঙের ঘুড়ি। বাড়ির ছাদ কিংবা খোলা আঙিনায় চলে ছেলে-মেয়েদের ঘুড়ি ওড়াওড়ি।

পাড়া-মহল্লার আকাশজুড়ে শোভা পাওয়া এসব ঘুড়ির বেশিরভাগই ঘরে বানানো। এসব ঘুড়ি তৈরিতে ব্যবহার করা হয় রঙিন পলিথিন, কেউবা তৈরি করে কাগজ দিয়ে। এখানেও আছে শিল্পের বৈচিত্র। ঘুড়ি তৈরির ক্ষেত্রে দেয়া হচ্ছে নানান আকার। দূর থেকে মনে হতে পারে কোনও এক অচেনা পাখি আকাশে উড়ে বেড়াচ্ছে। আবার কিছু ঘুড়ি তৈরিতে অনেকেই ব্যবহার করছেন রঙিন কাগজ। কেউবা তাতে আবার যুক্ত করছেন বাহারি নকশা।

এসব ঘুড়ি যারা ওড়াচ্ছে কেবল তারা আনন্দ পাচ্ছে বা তাদের সময় কাটছে এমনটি নয়। করোনাকালে ঘরবন্দি মানুষগুলো বারান্দা, জানালা, ছাদে দাঁড়িয়ে দেখছেন এসব ঘুড়ির ওড়াওড়ি। কারও কারও চোখে মুখে ভেসে উঠে শৈশবের সেই স্মৃতিময় দিনগুলো।