নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রতিদিন সেহরি ও ইফতারিতে হতদরিদ্র মানুষের মাঝে খাবার বিলান ভোগ্যপণ্য উৎপাদকারী প্রতিষ্ঠান ফুলকলির ব্যবস্থাপক এমএ সবুর। পুলিশের সহযোগীতায় চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্নস্থানে নানারকম খাবার বিলিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

তিনি জানান, রমজানের প্রথম ১১দিন চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানার মাধ্যমে খাবার বিতরন করা হয়। মাঝখানে ৩ দিন চকবাজার থানার মাধ্যমে খাবার বিতরন করা হয়। বর্তমানে বায়েজিদ থানার মাধ্যমে খাবার বিতরণ করে যাচ্ছি। সংশ্লিষ্ট থানার ওসি ও পুলিশ সদস্যরা এ কাজে ব্যাপক সহযোগীতা করছেন।

এমএ সবুর বলেন, করোনা সংক্রমণের পর ২৫ মার্চ থেকে নগরীর হতদরিদ্র মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করছি। রমজানের আগ পর্যন্ত প্রতিদিন ৩০০ মানুষকে খিচুড়ি বিতরণ করেছি। রমজানের পর পথ মানুষদের মাঝে খাবার বিতরণ করেছিলাম। কিন্তু দেখা যায়, পথ মানুষদের বেশিরভাগই রোজা রাখেন না। এখন নগরীর বিভিন্ন থানার ওসিরা কোথায় এবং কতজনের জন্য খাবার পাঠাতে হবে নির্ধারণ করে দেন। সেখানে বলে দেওয়া হয় সেহরি বা ইফতারিতে খাবার দেওয়ার কথা। সেভাবে নিজে গিয়ে খাবার দিয়ে আসি।

এ ব্যাপারে কোতোয়ালী থানার ওসি মহসিন সাহেব, ওসি (তদন্ত) জাহাঙ্গীর সাহেব, চকবাজার থানার ওসি নিজামুদ্দিন সাহেব, বায়েজিদ থানার ওসি প্রিটন সরকার, সাব ইনেসপেক্টর নুরুন্নবী সাহেবের নাম বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য। এছাড়া এ কার্যক্রমে সার্বিক সমন্বয় ও সহযোগিতা করে থানাগুলোর সাথে যোগাযোগ স্থাপনে সহযোগিতা করেছেন ওসি টিবিআই (এডমিন) মহানগর ও জেলা আ জ ম ওমর ফারুক।

তিনি আরও বলেন, প্রতিদিনের খাবার তৈরীর রান্নায় গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখেন আমার সহধর্মীণি। সেহরীতে ২ জন হেলপার আছেন আর ইফতারি আমার মিসেস একাই তৈরী করে। তবে প্যাকেটের কাজে প্রতিবেশি সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা মনসুর আলমসহ সিকিউরিটি আবু সৈয়দ, নুরুল আমীন, মহিউদ্দিনের সক্রিয় সাহায্য রয়েছে।