শুভ চট্টগ্রাম ডেস্ক : করোনা মহামারির মধ্যে বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত হয়ে ফনা তুলতে শুরু করেছে বছরের প্রথম শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’। চলতি মাসের শেষ অথবা মে মাসের শুরুতেই এটি উপকূলে আঘাত হানতে পারে বলে ধারণা করছেন আবহওয়াবিদরা।

তবে সাগরে থিতু হলেই ঘূর্ণিঝড়টির সম্ভাব্য অভিমুখ ও গতিপথ সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য জানা যাবে। ওই সময়েই কোন উপকূলে সেটি আঘাত হানবে তাও পরিষ্কারভাবে বলা সম্ভব হবে। আপাতত বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান ঘনীভূত হওয়ার খবর দিয়েছে প্রতিবেশি দেশ ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে- ঘুর্ণিঝড়ের প্রভাবে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এছাড়াও দেশের দক্ষিণাংশের কোথাও কোথাও বিজলি চমকানোসহ মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। দেশের দক্ষিণাংশের দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে। অন্যত্র দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। পরবর্তী দু’দিন বা আটচল্লিশ ঘন্টায় বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

চলতি মৌসুমে সৃষ্টি হতে যাওয়া আম্ফান নামটি দিয়েছে থাইল্যান্ড। আম্ফান ২০১৯ সালের ঘূর্ণিঝড় তালিকার শেষ নাম। ‘নর্দান ইন্ডিয়ান ওশেন সাইক্লোন’-এর আওতাভুক্ত আটটি দেশের প্রস্তাবিত নাম থেকেই তা পর্যায়ক্রমে রাখা হয়। আওতাভুক্ত দেশগুলো হল- বাংলাদেশ, ভারত, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড। ওই পর্যায়ক্রমের আট নম্বর তালিকায় শেষ নামটি হল আম্ফান।