নিজস্ব প্রতিবেদক :
চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত শিশুটি মারা গেছে। সে প্রতিবন্ধি ছিল। তার বয়স ৬ বছর। নাম আশরাফুল ইসলাম। বাড়ি পটিয়া উপজেলার হাইদগাঁও ইউনিয়নের ১ নাম্বার ওয়ার্ডের ওসমানপাড়া এলাকায়।
সোমবার সকালে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি এ তথ্য জানান। তিনি জানান, রোববার রাত আড়াইটার দিকে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায়। এ নিয়ে চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত মৃতের সংখ্যা দুই-এ দাড়াল।
সিভিল সার্জন জানান, গত সাতদিন ধরে জ্বর, সর্দি, কাঁশি ও ডায়রিয়া ভুগছিল শিশুটি। রোববার রাতে চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে অবস্থিত ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকসাস ডিজিজেজ-বিআইটিআইডিতে নমুনা পরীক্ষা শেষে করোনা শনাক্ত হয়।
এ খবর পাওয়ার পর শিশুটির বাড়ি এলাকার হাইদগাঁও ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড লকডাউন করে দেয় পটিয়া উপজেলা প্রশাসন। রাতেই চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের বিশেষ এম্বুলেন্স বাড়ি থেকে শিশু, শিশুর পিতা, মা ও দাদীকে জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। রাত আড়াইটার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। নিয়ম অনুযায়ী তার দাফনের ব্যবস্থা চলছে বলে জানান সিভিল সার্জন।
সিভিল সার্জন আরও জানান, আক্রান্ত শিশুটিকে গত শুক্রবার ও শনিবার সকালে শ্বাসকষ্ট নিয়ে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বর্হিবিভাগে ১০৮ নাম্বার রুমে চিকিৎসা দেয়া হয়। শনিবার হাসপাতালের পক্ষ থেকে তার নমুনা পরীক্ষা করা হয় এবং রোববার নমুনা পরীক্ষায় তার করোনাভাইরাস পজেটিভ আসে।
উল্লেখ্য, বিআইটিআইডিতে পরীক্ষায় এ পর্যন্ত ১৬ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। যার মধ্যে একজন নমুনা পরীক্ষার আগেই মারা যান। তিনি সাতকানিয়ার বাসিন্দা। তার নাম সিরাজুল ইসলাম। বিআইটিআইডিতে শনাক্ত মোট ১৬ করোনা রোগীর মধ্যে দুজনের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলায়।