নিজস্ব প্রতিবেদক : বঙ্গবন্ধুর অন্যতম খুনি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদের ফাঁসির রায় কার্যকরে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। কেরাণীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের কনডেম সেলে রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় গুলশানের নিজ বাসা থেকে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক এসব তথ্য জানান।

মন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ক্যাপ্টেন আবদুল মাজেদের বিরুদ্ধে রায় কার্যকরের জন্য আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়ে গেছে। আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেই এই রায় কার্যকর করা হবে।

মন্ত্রী জানান, আদালতের নির্দেশেই আবদুল মজিদকে কেরাণীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে কনডেম সেলে রাখা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ক্যাপ্টেন মাজেদ দীর্ঘ দিন পলাতক ছিলেন। তাকে ধরতে ইন্টারপোলের রেড অ্যালার্টও জারি করা হয়েছিল।

সোমবার (৬ এপ্রিল) দিবাগত রাতে মিরপুর নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় তাকে। মিরপুর এলাকায় করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেশি হওয়ায় ওই এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া আবদুল মজিদের মাধ্যমে কারাগারে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি নেই বলে জানান আইনমন্ত্রী।

আইনমন্ত্রী বলেন, আবদুল মজিদ কারাগারে করোনাভাইরাসের ঝুঁকি তৈরি করতে পারেন কি না, এমন প্রশ্ন আমার কাছেও এসেছে। তিনি ফাঁসির দণ্ডে দণ্ডিত একজন আসামি। আর ফাঁসির দণ্ডে দণ্ডিতদের সলিডারি কনফাইনমেন্টে রাখা হয়। তাকেও সলিডারি কনফাইনমেন্ট রাখা হবে। ফলে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকিও সেভাবে থাকবে না।

আব্দুল মাজেদকে গ্রেপ্তরের পর মঙ্গলবার সকালে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। সে অনুযায়ী কেরাণীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়েছে ক্যাপ্টেন মজিদকে।