কক্সবাজার : বিজিবি ও পুলিশের সঙ্গে পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৪ মাদক পাচারকারী নিহত হয়েছে। শনিবার ভোরে কক্সবাজারের টেকনাফে পৃথক বন্দুকযুদ্ধের দুটি ঘটনা ঘটে বলে জানান বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-২ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল ফয়সল হাসান খান।

তিনি জানান, হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা এলাকা থেকে মাদক পাচারের খবর পেয়ে শনিবার ভোররাতে অবস্থান নেয় বিজিবির টহল দল। এসময় নাফ নদী অতিক্রম করে ৪-৫ জন লোক মাদকের চালান নিয়ে আসার সময় বিজিবি টহল দল ধাওয়া করে। মাদক কারবারিরা বিজিবি সদস্যদের উপর গুলি চালালে বিজিবিও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়।

পরে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ ৩ জনকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার ইয়াবা ও ২টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি। তাদের বয়স ২০ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। এসময় বিজিবির ৩ সদস্য আহত হয়েছে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

এদিকে শনিবার ভোরে টেকনাফের হোয়াইক্যং এলাকায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মুছা আকবর (৩৬) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। পুলিশের দাবি, নিহত ব্যক্তি মাদক ব্যবসায়ী। ঘটনাস্থল থেকে ৬ হাজার ইয়াবা ও একটি দেশীয় তৈরি বন্দুকও উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত মুছা আকবর হোয়াইক্যং তুলাতলী এলাকার আবুল বশরের ছেলে। ২ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সভাপতি।

টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানন, তার বিরুদ্ধে থানায় বেশ কয়েকটি মাদকের মামলা রয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।